ঢাকা, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

দেশে কখন কী ঘটে, তা কেউ জানে নাঃ কাদের

২৪ ঘন্টা খবর বিডি

স্টাফ রিপোর্টার


প্রকাশিত: ৯:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০২০
শেয়ার করুনঃ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে কখন যে কী ঘটে যায়, তা কেউ জানে না মন্তব্য করে বলেন, আজকের এ সুদিন একদিন দুর্দিনেও রূপ নিতে পারে। দেশে কখন যে কী ঘটে, চোখের পলকে কী ঘটে যায় তা কেউ জানে না। আমরা কেউ কি জানি ১৫ আগস্ট সংগঠিত হবে। এর এক মুহূর্তে আগেও জানা সম্ভব ছিল না এ ধরণের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা। এ কথা কেউ যেন ভুলে না যায়।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দল করলে সবাইকে দলের শৃঙ্খলা মানতে হবে। লক্ষ্মীপুরে দলকে অনেকবার বিতর্কিত হতে হয়েছে। বৃহত্তর নোয়াখালীতে সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত লক্ষ্মীপুরের কর্মীরা। শহরে নোঙরখানা খুলে দুঃসময়ে কর্মীদের আশ্রয় দিতে হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের কর্মীরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে, লক্ষ্মীপুরের কোথাও না কোথাও রক্ত ঝরেছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচনের ডামাঢোল বাজতে শুরু করেছে। দলের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বচ্ছ ইমেজ এবং দলের ত্যাগীদের নাম প্রস্তাব করতে হবে। যারা নির্বাচনে জিততে পারবে না, জনগণের সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা নেই এমন কারো নাম প্রস্তাব করা যাবে না। জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে সারা দেশে আমাদের দলের ইমেজ নষ্ট হয়েছে। সামান্য কিছু টাকার জন্য মনোনয়ন বাণিজ্য করবেন না। এটি নেত্রী কোন ভাবেই মেনে নেবেন না। এ ব্যাপারে সবার বিষয়ে নজরদারি আছে। এনিয়ে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নেত্রী ও দল কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অতীতে যারা দলের নির্দেশনা অমান্য করে প্রার্থী হয়েছেন, যারা বিদ্রোহ করেছেন। তিনি বিজয়ী হোক অথবা পরাজিত হোক। সামনে দলের মনোনয়ন পাবেন না। নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছেন অথবা পরাজিত হয়েছেন তারা ফরম কিনে টাকা অপচয় করবেন না। কাউকে আমরা নমিনেশন দেবো না।

প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি জামায়াতের লুটপাট আর দুর্নীতি ছাড়া কিছুই অর্জন ছিল না। তারা বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখে না। তারাই সরকারে বিরোধিতা করে। নানান সময় নানান ইস্যু নিয়ে সরকারকে বিব্রত করতে চায়। বিএনপি-জামায়াত বিভিন্ন আন্দোলনের কথা বলে দেশে ধংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে হাজার হাজার গাড়ি পুড়িয়েছে। মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। তাদের লক্ষ্য ছিল সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করা। শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটানো। এ কণ্টাকীণ পথ পাড়ি দিয়েই শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নত আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুরের মেয়াদহীন আওয়ামী লীগের সকল কমিটি নতুন করে গঠনের লক্ষ্যে আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্মেলনের আয়োজন করার নির্দেশ দেন মাহবুবউল আলম হানিফ।