ঢাকা, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

শিগগিরই আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ

২৪ ঘন্টা খবর বিডি

স্টাফ রিপোর্টার


প্রকাশিত: ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২০
শেয়ার করুনঃ

শিগগিরই দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। ডিসেম্বর মাসের শেষে উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি অঞ্চলে ১ থেকে ২টি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও জানুয়ারিতে ২ থেকে ৩টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

জানা গেছে, তাপমাত্রা কমতে থাকার ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বর মাসের শেষে উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি অঞ্চলে ১ থেকে ২টি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও জানুয়ারিতে ২ থেকে ৩টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। জানুয়ারিতে তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস নেমে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস জানাতে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) সভা-শেষে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিসেম্বরের পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। তবে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এ মাসের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১ থেকে ২টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। ডিসেম্বর মাসে দেশের নদী অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা/মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আর সূর্য কিরণকাল থাকতে পারে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা।

ডিসেম্বরে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশ উপকূলে আসবে না।

এদিকে তিন মাসের পূর্বাভাসে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ২ থেকে ৩টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬ থেকে ৮) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মধ্যে দুটি তীব্র (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। এ ছাড়া উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি/ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা/মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবহাওয়ার প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: সময় নিউজ।