ঢাকা, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৮শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৩৯ চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী

২৪ ঘন্টা খবর বিডি

স্টাফ রিপোর্টার


প্রকাশিত: ৭:০৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২১
শেয়ার করুনঃ

মোঃমাসুদ পারভেজ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ-

প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বাগেরহাটের ৭০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩৯টিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বুধবার (২৪ মার্চ) প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে তাদের বিজয় নিশ্চিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীদের তালিকা দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

বাগেরহাট জেলার নয়টি উপজেলার ৭৫টি ইউনিয়নের মধ্যে আগামী ১১ এপ্রিল ৭০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হবে।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে একক প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের ৩৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

বাগেরহাটে ৯ টি উপজেলার মধ্যে মোল্লাহাট ও মোংলা উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।অন্য সাতটি উপজেলায় অনেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন।

বাগেরহাট সদরঃবাগেরহাট সদর উপজেলার ৭ টির মধ্যে ৬ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীরা। নির্বাচিতরা হলেন, বেমরতা ইউনিয়নে মনোয়ার হোসেন টগর, কাড়াপাড়া ইউনিয়নে শেখ মহিতুর রহমান পল্টন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে এমডি মাসুদ রানা, বারুইপাড়া ইউনিয়নে আলহাজ্ব হায়দার আলী মোড়ল, খানপুর ইউনিয়নে ফকির ফহম উদ্দিন, ডেমা ইউনিয়নে মো. মনি মল্লিক।

ফকিরহাটঃফকিরহাট উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীরা। তারা হলেন-ফকিরহাট সদর ইউনিয়নে শিরিনা আক্তার কিসলু, বেতাগা ইউনিয়নে ইউনুচ আলী, পিলজং ইউনিয়নে মোড়ল জাহিদুল ইসলাম ও নলদা-মৌভোগ ইউনিয়নে সরদার আমিনুর রশিদ।

মোল্লাহাটঃমোল্লাহাট উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬ টিতেই চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীরা হলেন- উদয়পুরে এস কে হায়দার মামুন, চুনখোলায় মনোরঞ্জন পাল, কুলিয়ায় মো. মিজানুর রহমান, গাওলায় শেখ রেজাউল কবীর, কোদালীয়ায় শেখ রফিকুল ইসলাম ও আটজুড়িতে মো. মনিরুজ্জামান মিয়া।

চিতলমারীঃচিতলমারী উপজেলার ৭ টির মধ্যে ৪ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীরা। বিজয়ীরা হলেন- হিজলা ইউনিয়নে কাজী আবু শাহিন, শিবপুর ইউনিয়নে ওয়ালিউজ্জামান জুয়েল, চর বানিয়ারী ইউনিয়নে অর্চনা রানী ঝরনা বড়াল ও সন্তোষপুর ইউনিয়নে বিউটি আক্তার।

কচুয়াঃকচুয়া উপজেলার ৭ টির মধ্যে ৪ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা। তারা হলেন- বাধাল ইউনিয়নে নকীব ফয়সাল অহিদ, গোপালপুর ইউনিয়নে এস এম আবু বক্কর সিদ্দিক, গজালিয়া ইউনিয়নে এস এম নাসির উদ্দিন ও রাড়ীপাড়া ইউনিয়নে নাজমা আক্তার।

রামপালঃরামপাল উপজেলার ১০টির মধ্যে ৫ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীরা। তারা হলেন-মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে মো. সাবির আহমেদ তালুকদার, হুড়কা ইউনিয়নে তপন কুমার গোলদার, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে তরফদার মাহফুজুল হক টুকু, রামপাল সদর ইউনিয়নে মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার ও ১০নং বাঁশতলীত ইউনিয়নে মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল।

মোংলাঃমোংলা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নেও আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ী হলেন- সোনাইলতলা ইউনিয়নে নাসরিন আক্তার নাজিনা, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে উদয় শংকর বিশ্বাস, চিলা ইউনিয়নে গাজী আকবর হোসেন, চাঁদপাই ইউনিয়নে মোল্লা মো. তরিকুল ইসলাম, সুন্দরবন ইউনিয়নে মো. একরাম ইজারাদার এবং মিঠাখালীত ইউনিয়নে উৎপল কুমার মণ্ডল।

মোড়েলগন্জ্ঞঃমোড়েলগন্জ্ঞ উপজেলার ১৬টির মধ্যে একটি মাত্র ইউনিয়ন নিশানবাড়িয়ায় আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

শরণখোলাঃশরণখোলা উপজেলার ৪ টির মধ্যে ৩ টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা। তারা হলেন- সাউথখালী ইউনিয়নে মো. মোজাম্মেল হেসেন, রায়েন্দা ইউনিয়নে আজমল হোসেন মুক্তা ও খোন্তাকাটা ইউনিয়নে জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন।

বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ বলেন, ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাগেরহাটে ৭০টি ইউনিয়নে নির্বাচন হবে। এর মধ্যে ৩৯টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া বেশ কিছু ওয়ার্ডে সদস্য একক প্রার্থী রয়েছেন।